১০০রেগ ডে ক্যাপশন, স্ট্যাটাস ও কিছু কথা ২০২৬

শিরোনাম:
রেগ ডে ক্যাপশন ২০২৬: কলেজ–ভার্সিটির রেগ ডে স্ট্যাটাস, ক্যাপশন ও কিছু কথা যা সত্যিই মনের কথা বলে
ভূমিকা
কলেজ বা ভার্সিটির জীবনে এমন কিছু দিন থাকে, যেগুলো ছোট হলেও মনে দাগ কেটে যায়। রেগ ডে ঠিক তেমনই একটি দিন। নতুন পরিবেশ, নতুন পরিচয়, একটু নার্ভাসনেস, আবার ভেতরে ভেতরে অদ্ভুত এক আনন্দ। ক্লাস শুরু হওয়ার আগের এই দিনটায় আমরা সবাই চাই কিছু একটা পোস্ট দিতে—একটা ক্যাপশন, একটা স্ট্যাটাস, বা দু-চার লাইনের কিছু কথা। কিন্তু সমস্যা একটাই: কী লিখব?
আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, বেশিরভাগ শিক্ষার্থী “রেগ ডে ক্যাপশন” লিখতে গিয়ে হয় খুব সাধারণ কিছু লিখে ফেলে, না হয় গুগল ঘেঁটে এমন কিছু নেয় যা নিজের মতো লাগে না। তাই ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে এই আর্টিকেলে আমি চেষ্টা করেছি রেগ ডে ক্যাপশন ২০২৬ নিয়ে সবকিছু এক জায়গায় তুলে ধরতে—যেন আপনি নিজের মনের মতো কথা খুঁজে পান, কপি-পেস্ট নয়, বরং অনুপ্রেরণা হিসেবে।
এই লেখা বিশেষভাবে তাদের জন্য, যারা বাংলা ভাষায় রেগ ডে স্ট্যাটাস, রেগ ডে ক্যাপশন বাংলা, বা Registration Day Caption Bangla খুঁজছেন।
রেগ ডে আসলে কেন এত স্পেশাল
অনেকেই ভাবে, “রেগ ডে তো শুধু ফর্ম ফিলাপ আর ছবি তোলা।” কিন্তু বাস্তবতা একটু আলাদা। রেগ ডে মানে—

- প্রথমবার নিজের কলেজ বা ভার্সিটির স্টুডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি
১)
আজ শুধু একটা ফর্মে সই করিনি,
আজ নিজের জীবনের নতুন পরিচয়ে নাম লিখিয়েছি।
কলেজ/ভার্সিটির স্টুডেন্ট—এই নামটাই আজ সবচেয়ে ভারী লাগছে। - ২)
অনেক দিন অপেক্ষার পর,
আজ কাগজে-কলমে প্রমাণ হলো—
আমি এখন সত্যিই একজন স্টুডেন্ট। - ৩)
এই মুহূর্তটা বাইরে থেকে সাধারণ,
কিন্তু ভেতরে ভেতরে অনেক স্বপ্নের জন্ম দিচ্ছে।
প্রথমবার নিজের পরিচয় বদলে গেল। - ৪)
আজ আর শুধু স্কুলের ছাত্র নই,
আজ থেকে আমি কলেজ/ভার্সিটির একজন স্টুডেন্ট।
এই অনুভূতির কোনো শর্টকাট নেই। - ৫)
একটা সই, একটা ছবি,
আর জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু।
প্রথম স্বীকৃতির দিনটা মনে গেঁথে থাকবেই। - ৬)
আজ বুঝলাম,
স্বপ্নগুলো কাগজে নামলে কতটা বাস্তব লাগে।
স্টুডেন্ট হিসেবে প্রথম স্বীকৃতি পেলাম। - ৭)
ভয়, উত্তেজনা আর আনন্দ—
সব মিলিয়ে আজকের দিনটা আলাদা।
নিজের নতুন পরিচয়কে স্বাগত। - ৮)
আজ থেকে ক্লাসরুমটা বদলে যাবে,
বন্ধুত্বগুলো নতুন হবে।
কিন্তু অনুভূতিটা আজীবন থাকবে। - ৯)
অনেক পরীক্ষার পর,
আজ নিজেকে এক ধাপ সামনে এগিয়ে নিতে পারলাম।
স্টুডেন্ট হিসেবে প্রথম দিন। - ১০)
আজ বাবা-মায়ের চোখে আলাদা গর্ব,
আর নিজের ভেতরে নতুন দায়িত্ব।
কলেজ/ভার্সিটির স্টুডেন্ট হিসেবে প্রথম স্বীকৃতি। - ১১)
এই পরিচয়টা শুধু নাম নয়,
এটার সঙ্গে জড়িয়ে আছে অনেক স্বপ্ন।
আজ সেগুলোর শুরু। - ১২)
আজ বুঝলাম,
জীবনে কিছু দিন সত্যিই স্পেশাল হয়।
এই দিনটা তেমনই একটা। - ১৩)
কাগজে লেখা নামটা আজ নিজের মনে হলো।
স্টুডেন্ট হিসেবে নিজের জায়গাটা পেলাম। - ১৪)
আজ থেকে গল্পগুলো অন্যভাবে শুরু হবে।
কারণ আজ আমি একজন স্টুডেন্ট। - ১৫)
এই স্বীকৃতি পাওয়ার পথটা সহজ ছিল না।
তাই আজকের দিনটা একটু বেশি আপন। - ১৬)
আজ আর শুধু দর্শক নই,
আমি এখন এই প্রতিষ্ঠানের অংশ।
এই ভাবনাটাই অনেক কিছু। - ১৭)
প্রথম দিনের অনুভূতি সব সময় আলাদা হয়।
আজ সেটাই টের পাচ্ছি। - ১৮)
আজ নিজের পরিচয়টা নতুন করে শিখলাম।
কলেজ/ভার্সিটির স্টুডেন্ট—এই আমি। - ১৯)
এই নামের সঙ্গে দায়িত্ব আছে,
আছে স্বপ্নের চাপও।
তবু গর্বের দিন আজ। - ২০)
আজ থেকে ভবিষ্যতের গল্পটা
নিজের হাতে লেখার সুযোগ পেলাম।
স্টুডেন্ট হিসেবে প্রথম স্বীকৃতির দিন। - ভবিষ্যতের চার-পাঁচ বছরের গল্পের শুরু

- ১)
আজকের দিনটা ছোট মনে হলেও,
এখান থেকেই শুরু চার–পাঁচ বছরের গল্প।
যার শেষটা এখনো অজানা। - ২)
এই রাস্তাটা আজ নতুন,
কিন্তু আগামী কয়েক বছর এই পথেই হাঁটব।
গল্পের প্রথম পাতায় আজকের তারিখ। - ৩)
আজ শুধু রেজিস্ট্রেশন নয়,
আজ ভবিষ্যতের গল্পে প্রথম লাইন লেখা।
বাকিটা সময়ই বলবে। - ৪)
চার–পাঁচ বছর পরে ফিরে তাকালে,
এই দিনটার কথা মনে পড়বে।
গল্পের শুরুটা এখানেই। - ৫)
আজকের অনুভূতিগুলো হয়তো কাঁচা,
কিন্তু এগুলো দিয়েই তৈরি হবে পুরো গল্প।
এই দিনটাই তার শুরু। - ৬)
বন্ধু, ক্লাস, পরীক্ষা আর স্বপ্ন—
সব মিলিয়ে যে গল্প,
আজ তার প্রথম অধ্যায়। - ৭)
এখনো জানি না শেষটা কেমন হবে,
তবু শুরুটা নিজের হাতে করতে পেরে ভালো লাগছে। - ৮)
আজকের দিনটা ডায়েরিতে না লিখলেও,
মনের ভেতরে ঠিকই থেকে যাবে।
কারণ গল্পটা আজ শুরু। - ৯)
এই কয়েক বছর বদলে দেবে অনেক কিছু।
আর সেই বদলের প্রথম দিন আজ। - ১০)
আজ যে পথটা শুরু হলো,
এই পথেই তৈরি হবে ভবিষ্যতের আমি। - ১১)
এখনো সব পরিষ্কার না,
কিন্তু গল্পের শুরুটা সত্যি।
বাকিটা সময় শিখিয়ে দেবে। - ১২)
আজকের দিনটা হয়তো হালকা,
কিন্তু এর ওজন অনেক ভারী।
পুরো গল্পটার শুরু যে আজ। - ১৩)
এই চার–পাঁচ বছরে অনেক কিছু বদলাবে।
আজ শুধু শুরুটা নিজের করে নিলাম। - ১৪)
প্রথম দিন মানেই আশা,
আর এই আশা নিয়েই গল্পটা এগোবে। - ১৫)
আজ থেকে এই জায়গাটা
আমার জীবনের অংশ হয়ে গেল।
গল্পের শুরু এখানেই। - ১৬)
হয়তো সব দিন ভালো যাবে না,
কিন্তু সব দিনই গল্পের অংশ হবে।
আজ তার শুরু। - ১৭)
এই গল্পে থাকবে হাসি, চাপ,
আর অনেক শেখার মুহূর্ত।
প্রথম পাতায় আজকের দিন। - ১৮)
এখনো কিছুই নিশ্চিত না,
শুধু এটুকু জানি—
গল্পটা শুরু হয়ে গেছে। - ১৯)
আজ একটা দরজা খুলল,
ভেতরে কী আছে জানি না।
তবু ঢুকে পড়লাম। - ২০)
চার–পাঁচ বছরের পথচলা,
অনেক স্মৃতি আর পরিবর্তন।
সব কিছুর শুরু আজ।
- অনেক অচেনা মুখের ভিড়ে নিজের জায়গা খোঁজা

- ১)
চারপাশে এত অচেনা মুখ,
তবু নিজের জন্য একটু জায়গা খুঁজছি।
এই শুরুটাই সবচেয়ে কঠিন। - ২)
সবাই নতুন, আমিও নতুন।
এই ভিড়ের মাঝেই নিজেকে চিনতে শিখছি। - ৩)
কেউ কাউকে চেনে না এখনো,
তবু সবাই নিজের জায়গা বানানোর চেষ্টা করছে।
আমিও তার ব্যতিক্রম নই। - ৪)
এই ভিড়টা ভয় লাগায়,
আবার সাহসও দেয়।
নিজের জায়গা খোঁজার সাহস। - ৫)
অচেনা মুখের মাঝেও,
নিজের মতো কাউকে খুঁজে পাওয়ার আশা আছে। - ৬)
আজ কথা কম, পর্যবেক্ষণ বেশি।
এই ভিড়েই নিজের গল্প শুরু হবে। - ৭)
এখনো কাউকে চিনি না,
তবু মনে হচ্ছে—
এখানেই আমার জায়গা হবে। - ৮)
ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে না গিয়ে,
নিজের মতো করে টিকে থাকার চেষ্টা। - ৯)
সবাই আলাদা,
এই ভিড়েই আলাদা হয়ে ওঠার চ্যালেঞ্জ। - ১০)
আজ একটু চুপচাপ,
কারণ নতুন জায়গায় আগে বুঝে নিতে হয়। - ১১)
এই অচেনা মুখগুলোর মাঝেই,
কেউ কেউ একদিন খুব আপন হবে। - ১২)
ভিড়টা বড়,
কিন্তু জায়গাটা নিজেকেই বানাতে হয়। - ১৩)
এখনো নামগুলো মুখস্থ না,
তবু মুখগুলো মনে রাখছি। - ১৪)
এই ভিড়ের মাঝেই,
নিজের স্বপ্নগুলো একটু জায়গা চায়। - ১৫)
আজ কেউ কাউকে খেয়াল করে না,
কাল হয়তো এখানেই বন্ধুত্ব হবে। - ১৬)
নিজের জায়গা খোঁজা মানে,
ধীরে ধীরে নিজেকে গড়ে তোলা। - ১৭)
এই অচেনা পরিবেশেই,
নিজেকে চিনে নেওয়ার সুযোগ। - ১৮)
ভিড়টা ভয় দেখায় ঠিকই,
কিন্তু একা নই—এটাও সত্য। - ১৯)
আজ সবাই অপরিচিত,
কাল হয়তো গল্পের অংশ। - ২০)
অনেক অচেনা মুখ,
আর নিজের জন্য একটু জায়গা।
এই দিয়েই শুরু।
মৃত বাবাকে নিয়ে আবেগঘন স্ট্যাটাস
আমি যাদের সঙ্গে কাজ করেছি বা কথা বলেছি, তাদের বেশিরভাগই পরে গিয়ে বলে—“রেগ ডে-র দিনটার ফিলিং আলাদা ছিল।” তাই সেই অনুভূতিটাকে একটা সুন্দর ক্যাপশন বা স্ট্যাটাসে ধরতে পারলে পোস্টটা আর দশটা পোস্টের ভিড়ে আলাদা হয়ে ওঠে।
রেগ ডে ক্যাপশন ২০২৬: কীভাবে ভাববেন
২০২৬ সালে এসে ক্যাপশন লেখার ধরণ একটু বদলেছে। এখন মানুষ শুধু সুন্দর লাইন চায় না, তারা চায় সত্যি কথা। ইনস্টাগ্রাম বা ফেসবুকে খুব ফিল্টার করা কথার চেয়ে এখন রিয়েল অনুভূতি বেশি কাজ করে।
রেগ ডে ক্যাপশন ভাবার সময় আমি সাধারণত তিনটা প্রশ্ন মাথায় রাখি:
- আজকের দিনটা আমার কাছে কী意味 রাখে?
- আমি উত্তেজিত, না ভয় পাচ্ছি, নাকি দুটোই?
- পাঁচ বছর পর এই পোস্ট দেখলে আমি কী মনে করতে চাই?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর থেকেই ভালো রেগ ডে ক্যাপশন বেরিয়ে আসে।
সাধারণ কিন্তু হৃদয়ছোঁয়া রেগ ডে ক্যাপশন বাংলা
সবাই খুব ইউনিক বা কবিতা টাইপ কিছু লিখতে চায় না। অনেকেই চায় সিম্পল, কিন্তু অর্থবহ কিছু।
উদাহরণ হিসেবে কয়েকটা ধরুন:
- “আজ থেকে নতুন পরিচয়, নতুন পথচলা। রেগ ডে ২০২৬।”
- “একটা সাইন, কিছু কাগজ, আর অনেক স্বপ্ন—আমার রেগ ডে।”
- “কলেজ লাইফ officially শুরু। শুভ রেগ ডে।”
এই ধরনের ক্যাপশন কম শব্দে অনেক কথা বলে। যারা BEGINNER বা প্রথমবার পোস্ট দিচ্ছেন, তাদের জন্য এগুলো ভালো কাজ করে।
ইমোশনাল রেগ ডে স্ট্যাটাস
কিছু মানুষ আছেন, যারা রেগ ডে-তে ভেতরে ভেতরে খুব ইমোশনাল হয়ে পড়েন। স্কুল লাইফ শেষ, পরিচিত গণ্ডি ছেড়ে বেরিয়ে আসা—সব মিলিয়ে অনুভূতিটা ভারী হয়।
ইমোশনাল রেগ ডে স্ট্যাটাস ২০২৬-এর উদাহরণ:
- “স্কুল থেকে কলেজ—একটা অধ্যায় শেষ, আরেকটা শুরু। রেগ ডে শুধু ফর্ম ফিলাপ নয়, জীবনের মোড় ঘোরা।”
- “আজ বাবা-মায়ের হাত ছেড়ে একটু দূরে যাওয়ার দিন। রেগ ডে ২০২৬।”
- “ভয় আছে, উত্তেজনাও আছে। তবু আজ রেগ ডে।”
আমার অভিজ্ঞতায়, এই ধরনের স্ট্যাটাসে কমেন্ট আর রিচ দুটোই ভালো আসে, কারণ মানুষ কানেক্ট করতে পারে।
মজার ও ক্যাজুয়াল রেগ ডে ক্যাপশন
সব পোস্ট সিরিয়াস হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। অনেকেই রেগ ডে-কে হালকা মজারভাবে নিতে চান।
কিছু ক্যাজুয়াল রেগ ডে ক্যাপশন বাংলা:
- “রেগ ডে done, এখন শুধু ক্লাসে যাওয়ার ভয় বাকি।”
- “ফর্ম জমা, ছবি তোলা, আর endless অপেক্ষা—রেগ ডে vibe।”
- “কলেজ লাইফ শুরু, ঘুম শেষ।”
এই ধরনের ক্যাপশন বিশেষ করে ফ্রেন্ড সার্কেলে খুব ভালো কাজ করে।
কলেজ রেগ ডে ক্যাপশন: কলেজ স্টুডেন্টদের জন্য আলাদা কিছু
কলেজ রেগ ডে আর ভার্সিটি রেগ ডে-র অনুভূতিতে একটু পার্থক্য থাকে। কলেজ লাইফ সাধারণত একটু বেশি প্রাণবন্ত, একটু বেশি বন্ধুত্বপূর্ণ।
কলেজ রেগ ডে ক্যাপশন হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন:
- “কলেজ লাইফের প্রথম সই। রেগ ডে ২০২৬।”
- “নতুন কলেজ, নতুন বন্ধুত্বের শুরু।”
- “আজ থেকে আমি একজন কলেজ স্টুডেন্ট।”
এখানে খুব ভারী কথা না লিখলেও চলে। কলেজ লাইফ মানেই একটু ফান, একটু এনার্জি।
ভার্সিটি রেগ ডে স্ট্যাটাস: একটু পরিণত অনুভূতি
ভার্সিটির রেগ ডে-তে একটা ম্যাচিউর ফিল থাকে। অনেকেই এখানে এসে নিজের স্বপ্ন আর দায়িত্ব দুটোই সিরিয়াসলি নিতে শুরু করে।
ভার্সিটি রেগ ডে স্ট্যাটাসের উদাহরণ:
- “স্বপ্নের ভার্সিটিতে প্রথম অফিসিয়াল দিন। রেগ ডে ২০২৬।”
- “আজ থেকে পথটা কঠিন, কিন্তু নিজের। ভার্সিটি রেগ ডে।”
- “অনেক অপেক্ষার পর এই দিনটা।”
What most people don’t realize is, ভার্সিটি রেগ ডে পোস্টে খুব বেশি শব্দের দরকার হয় না। এক-দুই লাইনের গভীর কথা অনেক বেশি শক্তিশালী।
Registration Day Caption Bangla কেন এখন বেশি সার্চ হয়
অনেকে সরাসরি ইংরেজি না লিখে Registration Day Caption Bangla লিখে সার্চ করেন। কারণ তারা চান—
- বাংলা ভাষায় ভাব, কিন্তু একটু আধুনিক টাচ
- ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে মানানসই লাইন
এক্ষেত্রে আপনি চাইলে বাংলা-ইংরেজি মিক্সও ব্যবহার করতে পারেন:
- “Registration Day vibes. নতুন শুরু, নতুন গল্প।”
- “Officially registered. রেগ ডে ২০২৬।”
এই স্টাইলটা এখনকার জেনারেশনের মধ্যে খুব জনপ্রিয়।
রেগ ডে কিছু কথা: ক্যাপশনের বাইরে ছোট লেখা
অনেক সময় শুধু ক্যাপশন নয়, ছবির সঙ্গে ৪–৫ লাইনের কিছু কথা লিখতে ইচ্ছে করে। এটা স্ট্যাটাস হিসেবেও দেওয়া যায়।
উদাহরণ:
“আজকের দিনটা হয়তো বাইরে থেকে খুব সাধারণ মনে হতে পারে। কিন্তু আমার জন্য এটা একটা নতুন অধ্যায়ের শুরু। রেগ ডে ২০২৬—যেখান থেকে অনেক গল্প শুরু হবে।”
এই ধরনের লেখা পোস্টকে পার্সোনাল করে তোলে।
আখলাক শব্দের অর্থ কি
রেগ ডে ক্যাপশন লেখার সময় সাধারণ ভুল
অনেক ভালো ছবি থাকা সত্ত্বেও ক্যাপশন ঠিক না হওয়ায় পোস্টটা তেমন নজর কাড়ে না। কিছু কমন ভুল আমি বারবার দেখি:
- অন্যের ক্যাপশন হুবহু কপি করা
- খুব বেশি ইমোজি ব্যবহার
- এমন কথা লেখা যা নিজের সঙ্গে যায় না
- অতিরিক্ত লম্বা, কিন্তু অর্থহীন লেখা
আমার পরামর্শ হলো, নিজের ভাষায় লিখুন। ভুল হলেও সমস্যা নেই, কিন্তু ফেক যেন না লাগে।
রেগ ডে ক্যাপশন ভালো করার সহজ স্টেপ
ধাপে ধাপে করলে কাজটা সহজ হয়।
ধাপ ১: আগে ভাবুন, আজকের দিনে আপনার ফিলিং কী
ধাপ ২: ১–২টা কীওয়ার্ড লিখে নিন (নতুন শুরু, স্বপ্ন, ভয় ইত্যাদি)
ধাপ ৩: ১–৩ লাইনের মধ্যে রাখার চেষ্টা করুন
ধাপ ৪: পোস্ট করার আগে একবার পড়ে দেখুন—এটা কি আপনাকে রিপ্রেজেন্ট করে?
এই পদ্ধতিতে লেখা ক্যাপশন কখনোই কৃত্রিম শোনাবে না।
রেগ ডে ক্যাপশন ২০২৬: কার জন্য কোন টাইপ ভালো
সবাই একই টাইপের ক্যাপশন পছন্দ করে না।
- যারা নতুন, তাদের জন্য সিম্পল ক্যাপশন
- যারা ফিলিং শেয়ার করতে চান, তাদের জন্য ইমোশনাল স্ট্যাটাস
- যারা ফ্রেন্ডলি ভাইব চান, তাদের জন্য মজার ক্যাপশন
- ভার্সিটি স্টুডেন্টদের জন্য একটু ম্যাচিউর টোন
নিজেকে কোন ক্যাটাগরিতে ফেলেন, সেটা বুঝলেই কাজ সহজ।
FAQ – রেগ ডে ক্যাপশন ও স্ট্যাটাস নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন
প্রশ্ন ১: রেগ ডে ক্যাপশন বাংলা লিখলে কি ভালো রিচ পাওয়া যায়?
উত্তর: হ্যাঁ, বিশেষ করে লোকাল অডিয়েন্সের মধ্যে বাংলা ক্যাপশন অনেক বেশি কানেক্ট করে।
প্রশ্ন ২: ইংরেজি না বাংলা—কোনটা ভালো?
উত্তর: আপনার ফলোয়ার আর নিজের কমফোর্টের ওপর নির্ভর করে। চাইলে মিক্সও করতে পারেন।
প্রশ্ন ৩: খুব ইউনিক ক্যাপশন না হলে সমস্যা আছে?
উত্তর: না। ইউনিক হওয়ার চেয়ে সত্যি হওয়া বেশি জরুরি।
প্রশ্ন ৪: ভার্সিটি রেগ ডে স্ট্যাটাসে কী ধরনের কথা লিখব?
উত্তর: স্বপ্ন, দায়িত্ব, নতুন শুরু—এই থিমগুলো ভালো কাজ করে।
প্রশ্ন ৫: রেগ ডে পোস্টে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা উচিত?
উত্তর: ২–৩টা হালকা হ্যাশট্যাগ দিলে ক্ষতি নেই, তবে বেশি না।
প্রশ্ন ৬: ছবি ছাড়া শুধু স্ট্যাটাস দিলে কি ঠিক?
উত্তর: অবশ্যই। অনেক সময় শুধু লেখা দিয়েই বেশি ইমপ্যাক্ট পড়ে।
প্রশ্ন ৭: একই ক্যাপশন কি ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে দেওয়া যাবে?
উত্তর: যাবে, তবে চাইলে সামান্য টোন অ্যাডজাস্ট করতে পারেন।
উপসংহার
রেগ ডে ক্যাপশন ২০২৬ মানে শুধু একটা পোস্ট নয়, বরং জীবনের একটা ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ধরে রাখা। আমার অভিজ্ঞতায়, যারা নিজের মতো করে ক্যাপশন লেখে, তাদের পোস্ট পরে গিয়ে দেখলেও ভালো লাগে। ট্রেন্ড ফলো করা খারাপ না, কিন্তু নিজের অনুভূতি যোগ করলে সেটাই হয়ে ওঠে আসল।
আপনি কলেজে হোন বা ভার্সিটিতে, নতুন যাত্রার এই দিনটাকে সম্মান দিন। একটা ছবি তুলুন, দু-একটা কথা লিখুন, আর নিজের গল্পটা শুরু করুন।